নিউজ ডেস্ক: হৃদরোগের চিকিৎসায় বিপ্লব আনতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে নারায়ণা আর এন টেগোর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। বিগত ২৫ বছর ধরে কার্ডিও ভাসকুলার কেয়ার বিভাগে অনন্য চিকিৎসা পরিষেবা চালু রয়েছে বলে দাবি। পূর্ব ভারতে তারা অগ্রণী ভূমিকায়। গত ২৫ বছর ধরে বিশেষতঃ হৃদরোগের চিকিৎসায় সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন তারা। আগামী ২৫ বছরের অঙ্গীকারের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন পাঁচজন রোগী – যারা জীবন ফিরে পেয়েছেন। এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা – ডা. দেবব্রত বেরা, ডা. কুন্তল ভট্টাচার্য ডা. দেবদত্তা ভট্টাচার্য, ডা. অয়ন কর প্রমুখ। সংস্থার তরফে অধিকর্তা অভিজিৎ সি পি বৃহস্পতিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, বিশ্ব মানের চিকিৎসা পৌঁছে দিতে তৎপর তাদের প্রতিষ্ঠান। শুরুতে ২৫ শয্যা নিয়ে মুকুন্দপুরে চালু করা হয়। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু এই হাসপাতালের উদ্বোধন করেন। এই মুহূর্তে নেপাল ভূটান এবং বাংলাদেশ ও মায়ানমারের রোগীরাও নারায়ণা হাসপাতালে আসেন। সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে সুদীর্ঘ আড়াই দশকে ৫০ হাজার রোগীর চিকিৎসা করেছে তারা। ইতিমধ্যেই ৫০ হাজার রোগীর আ্যঞ্জিওপ্ল্যাস্টি ও ২৫ হাজার রোগীর বুকে তাদের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা পেসমেকার বসিয়েছেন।