নিউজ ডেস্ক: ভেবে ছিলেন আর ভারতে ফিরতে হবে না। থেকে যাবেন পররাষ্ট্রে। কিন্তু না। সেই স্বপ্নে পড়ল ছেদ। ভারতের পাসপোর্টই আবার শেষ সম্বল হল IPL আর্থিক তছরুপ মামলায় জড়িত ললিত মোদীর।
২০১০ সালেই ছেড়েছিলেন দেশ। ছিলেন লন্ডনে। তবে গত সপ্তাহে লন্ডনে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসে গিয়ে নিজের পাসপোর্ট ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন জানান ললিত। প্রশ্ন ওঠে, প্রায় ১৫ বছর পর কেন হটাৎ ভারতের পাসপোর্ট ফিরিয়ে দিচ্ছেন তিনি? জানা যায়, দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াটুর নাগরিকত্ব পেয়েছেন নাকি ললিত মোদী।
কিন্তু দিন কয়েকের মধ্যেই সেই আনন্দের জোয়ারে ভাটা পড়ল তাঁর। জানা যাচ্ছে , আর্থিক তছরুপ মামলায় জড়িত ললিত মোদীকে নাগরিকত্ব দিতে চায় না ভানুয়াটুর প্রশাসন। সোমবার সেই দ্বীপরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী জোথাম নাপাত নাগরিকত্ব কমিশনকে ললিত মোদীকে দেওয়া নাগরিকত্ব বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
জোথাম নাপাত জানিয়েছেন, “ললিত মোদীর ভানুয়াটুর নাগরিকত্ব পাওয়ার খবর সামনে আসতেই ইন্টারপোল তরফে সতর্ক করা হয় দ্বীপরাষ্ট্রকে। এরপর পাসপোর্ট ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রশাসন তরফে”।
তাঁর সংযোজন, ‘যথাযথ কারণ ছাড়া ভানুয়াটুর নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব নয়। কেউ প্রত্যাপর্ণ এড়ানোর জন্য ভানুয়াটুর শরণাপন্ন হলে, তাকে কোনও ভাবে সমর্থন করবে না আমাদের দেশ”।
২০১০ সাল থেকে দেশছাড়া IPL আর্থিক তছরুপ মামলায় মূল অভিযুক্ত ললিত মোদী। নিজের প্রত্যাপর্ণ ‘এড়াতে’ই অন্য দেশের শরণাপন্ন হয়েছিলেন ললিত, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের। তবে এবার সেই স্বপ্ন আর পূরণ হবে না বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।