নিউজ ডেস্ক: ভেনেজুয়েলা থেকে তেল বা গ্যাস আমদানি করলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলিকে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যের সময় ২৫% অতিরিক্ত শুল্ক দিতে হবে। সোমবার এমনটাই ঘোষণা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২ এপ্রিল থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। ট্রাম্পের এমন একতরফা দাদাগিরি বিশ্ব বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতেস পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে ভারত, চীনসহ অন্যান্য দেশ চাপে পড়তে পারে।
বিশ্বজুড়ে আমেরিকার দাদাগিরির পরিচিত রূপ এটি। নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে অন্যান্য দেশগুলির অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে আমেরিকা। ভেনেজুয়েলা দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার শিকার। এবার সেই নিষেধাজ্ঞাকে হাতিয়ার করে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছেন ট্রাম্প। যদিও ভারতের মতো সার্বভৌম রাষ্ট্রকে তার জ্বালানি নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কারও অনুমতি নিতে হবে না।
২০২৩ সালের ডিসেম্বর ও ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলা থেকে সর্বাধিক তেল আমদানি করেছে ভারত। অথচ, ভারত মোট তেল আমদানির মাত্র ১.৫% ভেনেজুয়েলা থেকে সংগ্রহ করে। এত স্বল্প মাত্রার আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে আমেরিকা কি তার বিশ্ব আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে?
বিশ্ববাজারে তেলের চাহিদা মেটাতে বিকল্প উৎস খোঁজার স্বাধীনতা প্রত্যেক দেশের রয়েছে। ভারতও সেই নীতি মেনেই চলেছে। ভেনেজুয়েলা থেকে তেল আমদানি রিলায়্যান্স গোষ্ঠীর মতো সংস্থার মাধ্যমে হয়, যা ২০২৩ সালে আমেরিকার সাময়িক অনুমোদন পেয়েছিল। এখন ট্রাম্পের নতুন শর্ত কার্যকর হলে ভারতীয় সংস্থাগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।