নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে বহাল রেখে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি এতটাই বিস্তৃত যে, গোটা প্যানেলই বাতিল করতে হবে। এই রায়ের ফলে ২৫,৭৫৩ জন চাকরি হারাতে চলেছেন। তবে একমাত্র সোমা দাসের (Soma Das) ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম করেছে শীর্ষ আদালত। ক্যানসার আক্রান্ত এই শিক্ষিকার চাকরি মানবিক কারণে বহাল রাখা হয়েছে।
২০১৯ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পরও চাকরির দাবিতে লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন সোমা। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন এবং দীর্ঘদিন ধরনা ও বিক্ষোভে সামিল হন। কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় রাজ্য সরকারকে অনুরোধ করেন, যাতে তাঁকে চাকরি দেওয়া হয়। সেই অনুরোধ মেনে তিনি বাংলার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান বীরভূমের নলহাটি-১ ব্লকের মধুরা হাইস্কুলে।
তবে যেসব প্রার্থীর বয়স এই সময়সীমায় বেড়ে গেছে, তাঁদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, এত বড় দুর্নীতির পরিমাণ শুধরে নেওয়ার সুযোগ নেই, তাই নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
এদিকে, নিজের চাকরি রক্ষা পেলেও এই রায়ে পুরোপুরি খুশি নন সোমা দাস। তাঁর মতে, প্যানেলের অনেকেই যোগ্য ছিলেন, কিন্তু সরকার ও এসএসসি-র গাফিলতির কারণে প্রকৃত যোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব হয়নি। তিনি চাননি, তাঁর একার চাকরি থাকুক আর বাকিদের চাকরি চলে যাক।