নিউজ ডেস্কঃ মার্কিনীদের চিন ভ্রমণ পুনর্বিবেচনা করা উচিত। সম্প্রতি প্রকাশিত দেশের ভ্রমণ পরামর্শসূচীতে নাগরিকদের উদ্দেশ্যে এমনই বার্তা দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। চিনে বেআইনি ভাবে আটক হওয়ার কারণ দেখিয়ে নাগরিকদের এই পরামর্শ দিয়েছে আমেরিকার বিদেশ দপ্তর। যদিও এর আগেই ‘স্থানীয় আইনের বিচারহীন প্রয়োগ’র জন্যে চিনকে ‘লেভেল-৩: ভ্রমণ পুনর্বিবেচনা’র তালিকা অন্তর্ভুক্ত করেছে আমেরিকা। তবে এ মাসের প্রকাশিত পরামর্শসূচীতে বিষয়টিতে আরও জোর দিয়েছে প্রশাসন।
এই প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বেআইনি আটকের বিষয় থেকে বিরত নয় চিন প্রশাসন। ফলে দেশের নাগরিকদের চিনে গিয়ে বেশ সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আর তাই চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতেও দেশবাসীদের একই কথা মনে করিয়ে দিয়েছে মার্কিন সরকার।
উল্লেখ্য, ‘দীর্ঘ অবিশ্বাস’এর জন্যে দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রায় তলানিতে ঠেকেছিল। সেই সম্পর্ক উন্নত করতে গত মাসেই বেজিং সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠকে ব্লিঙ্কেন জানান, পূর্বের সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে দু’দেশের সম্পর্ক উন্নত করতে সচেষ্ট দুই দেশই।
অন্যদিকে, সফরে চিনে অবৈধভাবে বন্দি তিন মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে দেখাও করেন ব্লিঙ্কেন। সফর শেষে, তাদের নিরাপদ এবং দ্রুত মুক্তি নিয়ে দু’দেশের মধ্যেই কথা হয়েছে বলেও জানান তিনি। আবার, দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুতের লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে চিন সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে ট্রেজারি সচিব জ্যানেট ইয়েলেনের। এই পরিস্থিতিতে এধরণের বিজ্ঞপ্তির কোনও বিপরিত প্রভাব পড়বে কি না! চিন্তায় আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল।