নিউজ ডেস্ক: পাঁচ দিনের মাথায় ভোট। শেষ পর্যায়ে চলছে নির্বাচনী প্রস্তুতি। এই অবস্থায় সোমবার তড়িঘড়ি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। নির্বাচনের দফা বাড়ানোর আবেদন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি।
কংগ্রেস প্রদেশ সভাপতির দাবী পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে এক দফার নির্বাচনে ভয়ংকর অশান্তির সৃষ্টি হতে পারে। তার আরও দাবী মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা সহ আরও বেশ কয়েকটি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে কংগ্রেস, আইএসএফ এবং সিপিআইমের কর্মীরা আহত এবং নানান ভাবে আক্রান্ত হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে বাড়ানো হোক নির্বাচনের দফা। একাধিক দফায় নির্বাচন হলে সন্ত্রাস ও হানাহানি কমবে বলে দাবি লোকসভার বিরোধী দলনেতার। সোমবার এই আর্জি নিয়ে উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অধীর বাবুর আইনজীবী। দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে। সুত্রের খবর আগামীকাল মঙ্গলবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রসঙ্গত যেদিন এই নির্বাচনের দফা বাড়ানোর আবেদন করা হল সেদিনও দুই ব্যক্তির প্রাণ গেল রাজনৈতিক হিংসার কারণে বলে অভিযোগ। পুরুলিয়ার মানবাজারের অদুরে কেন্দাডি গ্রামে রাস্তার ধারে বিজেপি কর্মী বঙ্কিম হাঁসদা ও উত্তর চব্বিশ পরগনার হাড়োয়ায় শালিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শুরিপুর এলাকার একটি পুকুরের পার থেকে পরিতোষ মন্ডল নামে এক তৃণমূল কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়। এদিনই রাজ্যপাল হিংসা কবলিত বাসন্তী এলাকা পরিদর্শনে যান। প্রসঙ্গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে হিংসার জেরে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৪ হল। এই অবস্থায় শেষ মুহুর্তে আদৌ নির্বাচনের দফা বাড়ে কি না এখন সেটাই দেখার।