নিউজ ডেস্ক: ডার্ক ওয়েবের আড়ালে লুকিয়ে নিজেদের কার্যকলাপ চালাচ্ছে জঙ্গিরা। গুরুগ্রামে আয়োজিত জি-২০ সম্মেলনে এমনই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ডার্ক ওয়েবের মধ্যে ঢুকে জঙ্গিদের কার্যকলাপের ধরণ বুঝে সমাধান খুঁজতে হবে বলেও জানান তিনি।
দু’দিনের এই সম্মেলনে, নন-ফাঞ্জেবেল টোকেন (এনএফটি), আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এইআই) এবং মেটাভার্সের যুগে অপরাধ এবং নিরাপত্তা নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “এতদিন কল্পবিজ্ঞানের একটি ধারণা ছিল মেটাভার্স। কিন্তু বর্তমানে তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করা হচ্ছে।” সেইসঙ্গে, বিভিন্ন ভার্চুয়াল সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, মেটাভার্স ব্যবহার করে প্রচার, নিয়োগ এবং প্রশিক্ষণের কাজ চালাচ্ছে জঙ্গি সংগঠনগুলি।
আরও পড়ুন: Modi France Visit: এবার আইফেল টাওয়ারে ইউপিআই’র মাধ্যমে হবে আর্থিক লেনদেন
উল্লেখ্য, ইন্টারনেটের ডিপ ওয়েব’র একটি গোপন অংশ হল ডার্ক ওয়েব। সেখানে প্রবেশের জন্যে সাধারণ সার্চ ইঞ্জিন নয়, প্রয়োজন নির্দিষ্ট সফটওয়্যার এবং অনুমোদন। আবার ডার্ক ওয়েব খুঁজে পাওয়াও দুস্কর ব্যাপার। আর সেকারণে নিজেদের কার্যকলাপ চালানোর জন্যে জঙ্গিরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করছে বলে দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।
এদিন শুধু ডার্ক ওয়েব নয়, সাইবার আক্রমণ নিয়েও আলোচনা করেন শাহ। জানান, র্যানসামওয়ার হানা, অনলাইন হ্যারাসমেন্ট, অনলাইনে সমালোচনামূলক ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রয়, শিশু নির্যাতন এবং বিভিন্ন টুলকিটের সাহায্যে জাল খবর প্রচারের ঘটনাগুলি সাইবার অপরাধীদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক দেশগুলিও এর শিকার হয়েছে বলেও জানান শাহ। তবে এই সমস্যা সমাধানের জন্যে সাইবার-ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছে ভারত সরকার।