নিউজ ডেস্ক: ভারতে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে G-20 বৈঠক। বৈঠক নিয়ে ইতিমধ্যে প্রকাশিত হচ্ছে একের পর এক অজানা তথ্য। শুধু বৈঠক নয়, এবারে বৈঠককে কেন্দ্র করে চর্চার মূলে কনভেনশন প্লেস ‘ভারত মণ্ডপম’। ভবনটি নিয়ে কৌতূহলের অন্ত নেই দেশ-বিদেশের সাধারণ মানুষের। জেনে নেওয়া যাক ‘ভারত মণ্ডপম’ সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
গত ২৬ জুলাই ২০২৩-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করেন এই বিশেষ ভবনটি। গুরুত্বপূর্ণ সভা, সম্মেলন এবং প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে নির্মিত করা হয়েছে ভবনটি। বলা হয়েছিল, এই ভবনটি নির্মানের পরিকল্পনা ছিল মোদীর। ২৭০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে মণ্ডপটিকে অত্যাধুনিক করে তুলতে। ভবনটিতে রয়েছে অসংখ্য মিটিং রুম, লাউঞ্জ, অডিটোরিয়াম এবং একটি অ্যাম্ফিথিয়েটার, যাতে একসঙ্গে ৩০০০ দর্শক বসতে পারেন। ভবনটির আকৃতি শঙ্খের খোলের ন্যায়। ভবনের ঘরগুলির দেওয়ালে ভারতের ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানকে তুলে ধরা হয়েছে।
ভারত মণ্ডপম’-এ ১৬ টি ভিন্ন ভাষাকে প্রকাশ করার জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত। এখানে রয়েছে একটি দোভাষী কক্ষ , বিশাল আকারের ভিডিও ওয়াল-সহ উন্নতমানের AV সিস্টেম। ৫জি ইন্টারনেট পরিষেবা দিয়ে পরিবেষ্টিত রয়েছে সম্পূর্ণ ভবনটি। ভবনের ৪ এবং ১৪ নম্বর কক্ষদুটিকে প্রজেক্ট করা হয়েছে ভারতের ডিজিটাল ইন্ডিয়া এক্সপেরিয়েন্স জোন হিসেবে। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার সাফল্যের দিক এই প্রয়াসের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে আধার, ডিজি লকার, ইউপিআই, ই সঞ্জিবনী, দিক্ষা, ভাষিনী, ওএনডিসি, আস্ক গীতার কথা অতিথিদের জানানো হবে AI প্রযুক্তির মাধ্যেমে। এক কথায় ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতি এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তির যৌথ মিশেল দেখানো হবে ভারত মণ্ডপমে।