নিউজ ডেস্ক: মা
কালীর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভক্তি জানানোর উদ্দেশ্যে রানাঘাটের চিত্রশিল্পী গৌরব সরকার নারী মুখে ফুটিয়ে
তুললেন বড়মার অবয়ব। এ যেন অন্য রকম ভাবনা। শিল্প আর বিশ্বাস মিলিয়ে অন্য রকম ভাবনা। মানুষ রূপে বড়মা যদি সামনে আসেন?
কথাটা বাস্তবের সঙ্গে মিল না থাকলেও যেন এমনই
ঘটনা রানাঘাটে ঘটল।
মা কালী মায়ের পুজো আর উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি বড়মার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভক্তি জানানোর জন্যেই রানাঘাটে চিত্রশিল্পী
গৌরব সরকার নারী মুখে ফুটিয়ে তুললেন বড়মার অবয়ব। নৈহাটির বড়মা এ বছর শতবর্ষে পদার্পণ করলেন। গোটা পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের
মধ্যে অত্যন্ত বিখ্যাত দেবী বড়মা। প্রত্যেক বছর কালীপুজোর
সময় লক্ষ লক্ষ ভক্তরা বড়মার কাছে আসেন। কেউ বড়মাকে শুধুই
চোখ ভরে দেখতে কেউ বা পুজো দিতে। দিন যত যাচ্ছে নৈহাটির বড়মার
মাহাত্ম্য ততই বিস্তার লাভ করছে গোটা দুনিয়ায়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম নয়,
হাতেগোনা দিন বাকি কালীপুজোর, ইতিমধ্যেই
বড়মার একবার দর্শন পেতে ভক্তের ঢল নেমেছে নৈহাটিতে ।
এরই মাঝে নদিয়ার রানাঘাট তালপুকুর পাড়ার বাসিন্দা চিত্রশিল্পী গৌরব সরকার মানবী
বড় মা ফুটিয়ে তুললেন। তার বহু দিনের ইচ্ছে ছিল বড়মার প্রতিচ্ছবি
ফুটিয়ে তোলা কোন জীবন্ত নারীর ওপরে। এরপরেই অল্প অল্প করে সে সমস্ত সাজ সরঞ্জাম
জোগাড় করে তার বান্ধবীর মুখে ফুটিয়ে তোলেন বড় মায়ের অবয়ব। হঠাৎ করে কেউ যদি
দেখেন চোখ ধাঁধিয়ে যেতে পারে। তার এমন শিল্পকর্মকে ইতিমধ্যেই প্রশংসা করেছেন রানাঘাটের অনেক
বাসিন্দা। তবে এমন কর্মকান্ড করতে সময় যেমন লেগেছে। পাশাপাশি প্রয়োজন ধৈর্য্যর। প্রায় ১২ঘণ্টা বসে
সেই বান্ধবী মানবী থেকে এই বড়মা সেজেছেন। তবে এই ধরনের সাজ
তার কাছে গর্বের ও গুরুজনদের আশীর্বাদ বলেন কেয়া দাস।
Tags: NULL