নিউজ ডেস্ক: ৯-এ ৯। হ্যাঁ, বিশ্বকাপে ভারতীয় দল এই প্রথম রাউন্ড রবিন লিগের সব ম্যাচ জিতে সেমি ফাইনালে পৌঁছেছে। যার কারণে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন এই দলই ভারতের সেরা। ভারতীয়রা চাইছেন ১১-য় ১১। সেই লক্ষ্যে মেন ইন ব্লু এবার কিউয়িদের মুখোমুখি। লিগ পর্যায় শেষে সেমি ফাইনালে নক আউট পর্বে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি ভারত। এই নিয়েই শুরু হয়েছে কাটাছেঁড়া। লিগ পর্যায়ের পঞ্চম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে চার উইকেটে হারিয়েছে ভারত। কিন্তু সেমি ফাইনালে গত বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের কাছেই হেরেছি বিরাট কোহলির টিম। এবারেও কি তার পুনরাবৃত্তি না মধুর প্রতিশোধ নেবে ভারত?
পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে দেখলে একদিনের আন্তর্জাতিক বিশ্বকাপে সেমি ফাইনাল থেকে চার বার ভারতকে ছিটকে যেতে হয়েছে। আর তিনবার ভারত ফাইনালে উঠে দু’বার কাপ জিতেছে।
• একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল ১৯৭৫ সালে
• ভারত প্রথম ১৯৮৩ সালে বিশ্বকাপ সেমি ফাইনালে ওঠে। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। ১৯৭৫ ও ১৯৭৯ সালে সেমি ফাইনালে উঠতে পারেনি। ১৯৮৩ সালে ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে কপিল দেবের নেতৃত্বে ট্রফি জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করে।
• ১৯৮৭ সালে বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে ফের ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয় ভারত। তবে সেবার ইংল্যান্ড জিতেছিল।
• ১৯৯২ সালে সেমি ফাইনালে না পৌঁছলেও ১৯৯৬ সালে ফের সেমি ফাইনালে ওঠে ভারত। সেবার ইডেন গার্ডেন্সে কার্যত শ্রীলঙ্কার কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা। ভারতের পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন দর্শকেরা। পুরো খেলা হয়নি, ম্যাচ বন্ধ করে দেওয়া হয়। শ্রীলঙ্কা জয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল।
• এরপর ১৯৯৯ বিশ্বকাপেও আগেই বিদায় নেয়
• ২০০৩ সালে ফের সেমি ফাইনালে ওঠে ভারত। কেনিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়। কিন্তু ফাইনালে পরাজিত হয়।
• ২০০৭ সালে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই ভারতের বিদায়
• ২০১১ সালে সেমি ফাইনালে ভারত চিরশত্রু পাকিস্তানের মুখোমুখি হয়। মোহালিতে পাকিস্তানকে হারিয়ে ভারত ফাইনালে ওঠে মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত। আর ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার ট্রফি জয়।
• ২০১৫ সালেও ভারত সেমি ফাইনালে ওঠে। সেবার সেমি ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত হেরে যায়।
• ২০১৯ সালে বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে ভারত হেরে যায় নিউজিল্যান্ডের কাছে।
এ বারেও প্রতিপক্ষ সেই নিউজিল্যান্ড। তবে এবার রোহিত শর্মার টিম এখনও পর্যন্ত ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই দাপট দেখিয়ে এসেছে। আগে ব্যাট করে প্রতিপক্ষকে বিশাল রানের লক্ষ্য বেধে দেওয়া থেকে পরে ব্যাট করে অনায়াসে রান তুলে নেওয়া। বিশ্বকাপের ৯টি ম্যাচেই ধারাবাহিকতার সঙ্গে সেই পারদর্শিতা দেখিয়ে এসেছে।