অস্থায়ী
কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কাজকর্ম স্থগিত।
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় সারা বাংলা তৃণমূল শিক্ষা বন্ধু
সমিতির তরফে বিক্ষোভ চলছে। অস্থায়ী শিক্ষা কর্মী প্রশিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির
সিদ্ধান্ত বাতিলের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন চলছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। ১৯ শে
ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিকভাবে অস্থায়ী কর্মী এবং শিক্ষকেরা বেতন বৃদ্ধির
সিদ্ধান্ত বাতিলের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে আন্দোলনে নেমেছে।
যাতে
প্রশাসনিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের নির্দেশকে তুলে
নেওয়ার আর্জি জানি উপাচার্যকে সময় বেঁধে দেওয়া হয় আন্দোলনকারীদের তরফে।
মঙ্গলবার তার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য সিএম রবিনড্রনের বিরূপ মন্তব্যকে
ঘিরে আন্দোলনকারীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠেন।
মঙ্গলবার উপাচার্য এবং রেজিস্টারের কুশপুতুল দাহ করা হয় প্রশাসনিক ভবনের
সামনে। বুধবার অস্থায়ী কর্মীদের
বিক্ষোভের মাত্রা আরো খানিকটা চড়ে। এদিন রীতিমতো উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের
প্রশাসনিক ব্লকে তালা ঝুলিয়ে দেন অস্থায়ী কর্মচারী এবং শিক্ষকেরা। যার জেরে এদিন
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজকর্ম স্তব্ধ হয়ে পড়ে। এই বিষয়ে সারা
বাংলা তৃণমূল শিক্ষা বন্ধু সমিতির তরফে রঞ্জন রায় জানান,“দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে উপাচার্য রেজিস্টারদের
বিষয়টি নজরে আনা হচ্ছে কিন্তু তারা এই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে দুর্বলতা মনে করছেন।
যেখানে সমস্ত অস্থায়ী কর্মচারী এবং অস্থায়ী শিক্ষকেরা এক জোট হয়ে এক মঞ্চে এসে
বিক্ষভে সামিল হয়েছেন।
অথচ উপাচার্য সেই নির্দেশিকা বাতিলের আর্জিকে
গুরুত্ব না দিয়ে বিজেপি দলের নির্দেশে কাজ করে চলছে। তাদের অগ্রাহ্যের জেরি বাধ্য
হয়ে প্রশাসনিক ব্লক বন্ধ রেখে আন্দোলনের পথে হাঁটতে আমরা বাধ্য হয়েছি। এদিন
সমিতির তরফে জানানো হয় বিষয়টি নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। তারা বিষয়টিতে ওয়াকিবহাল রয়েছেন। এদিকে
প্রশাসনিক ভবন বন্ধ রেখে আন্দোলনের কারণে এদিন বিশ্ববিদ্যালয় রীতিমত স্তব্ধ হয়ে
পড়ে। ব্যাহত হয় পঠন পাঠন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত দপ্তরিও কাজকর্ম স্থগিত ছিল
এদিন।