নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রচূড় জমানা শেষ। আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নিলেন সঞ্জীব খান্না (Sanjiv Khanna)। আজ, সোমবার সকাল ১০টায় রাষ্ট্রপতি ভবনে দেশের ৫১তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন সঞ্জীব খান্না। শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। গত শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নেন ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ৷ তাঁকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানান সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, আইনজীবী ও কর্মচারীরা ৷ উল্লেখ্য, তাঁর উত্তরসূরী হিসেবে গত ১৬ অক্টোবর বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নাম সুপারিশ করেন ডিওয়াই চন্দ্রচূড় ৷ তাঁর সেই সুপারিশ অনুযায়ী, গত ২৪ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে৷
উল্লেখ্য, ৬৪ বছর বয়সী বিচারপতি সঞ্জীব খান্না দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি দেব রাজ খান্নার ছেলে। সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এইচআর খান্নার ভাইপো তিনি। ১৯৮৩ সালে প্রথম দিল্লি বার অ্যাসোসিয়েশনে আইনজীবী হিসেবে নিজের নাম নথিভুক্ত করেন সঞ্জীব খান্না। দিল্লির তিস হাজারির স্থানীয় কোর্টে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস শুরু করেন। ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদে আসীন হলেন তিনি।
বারাখাম্বা রোডের মডার্ন স্কুল থেকে পড়াশোনা, সেন্ট স্টিফেন কলেজ থেকে স্নাতক এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ল সেন্টার থেকে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন বিচারপতি খান্না (Sanjiv Khanna)। এরপর ১৯৮৩ সালে আইনজীবী হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেন। কর্মজীবনে একাধিক ক্ষেত্রে কাজ করেছেন তিনি। ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সিলে কাজ করেছেন তিনি। ২০১৯ সালের ১৮ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে নিজের যাত্রা শুরু করেন। সুপ্রিম কোর্টের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায়, যা দেশজুড়ে সাড়া ফেলেছিল, তার অংশ ছিলেন বিচারপতি খান্না। ইভিএমের বৈধতা থেকে শুরু করে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ অবলুপ্তির মামলায় রায় দিয়েছেন তিনি। বিচারপতি খান্নার বেঞ্চই ইলেকটোরাল বন্ড বা নির্বাচনী বন্ডকে অসাংবিধানিক বলে রায় দিয়েছিল।