Thursday, June 20, 2024

Logo
Loading...
google-add

Taiwan earthquake- tsunami warning: তাইওয়ানে ভয়ংকর ভূমিকম্প! জারি সুনামী সতর্কতা  


Sweta Chakrabory | 13:36 PM, Wed Apr 03, 2024

নিউজ ডেস্ক: তাইওয়ান(Taiwan) দক্ষিণ জাপান (Japan) ও ফিলিপিনসে(Philipines) জারি হল সুনামি(Tsunami) সতর্কতা। বুধবার সকালে ৭.৪ তীব্রতার ভূমিকম্পের(Earthquake) জেরে এই সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে এই ভূমিকম্পের জেরে ব্যাপক ধস নেমেছে তাইওয়ানের বিভিন্ন অঞ্চলে। ইতিমধ্যেই ৮৭ হাজার বাড়ি বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে কয়েক হাজার বাড়ি। হু হু করে বাড়ছে মৃত ও আহতের সংখ্যা। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান এখনও স্থির করতে পারেনি তাইওয়ান প্রশাসন।

তাইওয়ানের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর সম্প্রচারিত হয়েছে যে সে দেশের বহু ফ্লাইওভার ও বহুতল ভেঙে পড়েছে। প্রসঙ্গত তাইওয়ানের পক্ষ থেকে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ৭.৪ জরিপ করা হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে বিভাগের তরফ থেকে রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের তীব্রতা ৭.৭ ধার্য করা হয়। অন্য দিকে জাপানের মেটিওরলজিক্যাল এজেন্সি এই ভূমিকম্পের তীব্রতা ৭.৫ বলে জানিয়েছে।

জানা গেছে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল তাইনের হুয়ালিয়েন শহরের ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে ভূপৃষ্ঠের ৩৪.৮ কিলোমিটার গভীরে। জানা গেছে ভূমিকম্পের জেরে তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেইয়ের ভবনগুলি কেঁপে উঠলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেখানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। তবে হুয়ালিয়েন শহরে সবচেয়ে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং কয়েক হাজার ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রসঙ্গত দুটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ার কারণে তাইওয়ানে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়।

কিন্তু এবারের ভূমিকম্প শেষ ২৫ বছরে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প বলে জানা গেছে। এর আগে গত বছর রিখটার স্কেলে ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। কিন্তু সেবার উৎপত্তিস্থল আরও গভীরে ছিল। কিন্তু এবার উৎপত্তিস্থল গত বারের তুলনায় ভূপৃষ্ঠের বেশি উপরে থাকায় ক্ষয়ক্ষতি গতবারের তুলনায় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাইওয়ানের হুয়ালিয়েন শহর একটি দর্শনীয় পর্যটন কেন্দ্র। ফলে এই শহরে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় দেশের অর্থব্যবস্থা ও পর্যটনে তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে ২০১৮ সালে ৬.৪ তীব্রতার ভূমিকম্পে ২৭ জন নিহত ও ৩০০ জন আহত হয়েছিলেন।

তাইওয়ান প্রশাসনের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের অন্যত্র সরানোর ব্যবস্থা শুরু করেছে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন, “বিপর্যয় মোকাবিলার কাজ শুরু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার ও তাঁদের সুরক্ষিত স্থানে সরানোকে প্রাথমিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকার ক্ষতিগস্তদের পাশে আছে।”

চিন তাইওয়ানের নিজের জোর খাতালেও বিপদের সময় অবশ্য তাঁদের দেখা নেই। চিনের তরফে কোন সাহায্যের আশ্বাস নেই। ইন্দো তাইপেই অ্যাসোসিয়েশন কঠিন সময়ে তাইওয়ানের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে। ভূমিকম্পের ফলে জাপানের অকিনাওয়া, মিয়াকজিমা সহ বেশ কয়েকটি দ্বীপের আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে সরে যেতে বলেছে। জাপানের মেটিওরলজিকাল এজেন্সির পাশাপাশি ফিলিপিন্সের সিসমোলজি এজেন্সি জানিয়েছে বিশাল উচ্চতার সুনামি আঘাত হানতে পারে তাদের দেশেও।

google-add
google-add
google-add

Health And Environment

Spiritual

google-add

National News

google-add
google-add

Politics

google-add
google-add